পরিবারের
সেবামূলক কাজে পুরুষরা সময় দেন এক ঘণ্টা
পরিবারের সেবামূলক কাজে পুরুষরা দৈনিক সময় দেন এ ঘণ্টা। সেখানে
নারীকে দিতে হয় ৬ ঘণ্টা। অথচ নারীর সেবামূলক কাজ দৃশ্যমান নয় এবং পরিবার বা সমাজে
এর গুরুত্ব কম। গ্রামীণ প্রেক্ষাপটে নারীরা ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও উৎপাদনমূলক কাজে
বেশি সময় দিতে পারেন না। নারীরা অমূল্যায়িত সেবামূলক কাজের চাপ কমাতে পারলে নিজেদের
আয়বৃদ্ধিমূলক কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার সুযোগ পাবে।
একশনএইড বাংলাদেশ ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর জেন্ডার
অ্যান্ড সোশ্যাল ট্রান্সফরমেশনের যৌথ গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
সিনেট ভবনে এই গবেষণার ফল তুলে ধরেন সিজিএসটির প্রধান গবেষক সিমিন মাহমুদ।
তিনি বলেন, জিডিপিতে অমূল্যায়িত কাজের সংযুক্তি প্রয়োজন। নারীর
কাজের মূল্যায়ন করতে হবে স্কুল থেকেই। কারণ সেখান থেকেই শিশুরা জেন্ডার বিষয়ে
ধারণা নিতে শুরু করে।
একশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবিরের সঞ্চালনায়
'নারীর উন্নয়নে অমূল্যায়িত সেবামূলক কাজের স্বীকৃতি, হ্রাস ও পুনর্বণ্টন প্রয়োজন'
শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মহিলাবিষয়ক অধিদফতরের মহাপরিচালক শাহীন আহমেদ
চৌধুরী, ইউএন ওমেন বাংলাদেশের দেশীয় প্রতিনিধি ক্রিস্টিন হান্টার,
পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাবেক পরিচালক শামসুল আলম, গবেষক প্রতিমা পাল মজুমদার প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্রকে নারীর গুরুত্ব
অনুধাবন করতে হবে। নারী শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। আইন ও নীতিমালায় অমূল্যায়িত
সেবামূলক কাজের মূল্যায়নের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
অনুষ্ঠান শেষে সিনেট ভবনের সামনে ঘুড়ি উৎসবের আয়োজন করে একশনএইড।
Tag :
জাতীয়



0 Komentar untuk "পরিবারের সেবামূলক কাজে পুরুষরা সময় দেন এক ঘণ্টা"