দেশে
তুমুল প্রশংসা, অভিনন্দন
বীরোচিত পদক্ষেপ
ক্রীড়া
প্রতিবেদক
আইসিসি সভাপতির পদ ত্যাগ করে সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আ হ ম
মুস্তফা কামাল। কথাগুলো বললেন, জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক দুই অধিনায়ক শফিকুল হক
হিরা ও রকিবুল হাসান। হিরা বলেন, বাংলাদেশ যে অন্যায়ের কাছে মাথানত করে না
তা পদত্যাগ করে প্রমাণ দিলেন কামাল। বিশ্বক্রিকেটের অভিভাবক, পদটি নিঃসন্দেহে অনেক
বড়। কিন্তু দেশের সম্মানের কাছে এই পদ আবার কোনো কিছুই নয়। হিরা বলেন, কোয়ার্টার
ফাইনালে বাজে আম্পায়ারিং হয়েছে। ম্যাচের আগে জায়ান্ট স্ক্রিনে আগেই ভারতের জয়
দেখানো হয়েছে। এসব দেখে মুস্তফা কামাল প্রতিবাদ জানাতেই পারেন। কিন্তু গঠনতন্ত্র
ভঙ্গ করে তাকে পুরস্কার বিতরণ থেকে বিরত রাখতে পারে না। কোন আইনে ফাইনালে
শ্রীনিবাসন পুরস্কার দিলেন এ প্রশ্ন শুধু মুস্তফা কামালের নয় গোটা বিশ্বের।
ক্রিকেট যে গুটিকয়েক নোংরা লোকের হাতে বন্দী এই ঘটনায় তা প্রমাণ মিলেছে।
দেশকে ছোট করা হয়েছে। এই প্রতিবাদে কামাল পদত্যাগ করেছেন। এতে করে গোটা বিশ্বে
বাংলাদেশের সুনাম বেড়েছে। আরেক সাবেক অধিনায়ক রকিবুল হাসান বলেন, বাংলাদেশ যে বীর
তা প্রমাণ দিলেন মুস্তফা কামাল পদত্যাগ করে। অন্যায় করলে বাঙালি প্রতিবাদ জানাতে
পারে তা তিনি দেখিয়ে দিলেন। এ জয় শুধু কামালের একার নয় ১৬ কোটি মানুষের। কামাল
পদত্যাগ করাতে আইসিসিরি সভাপতির চেয়ারে নিশ্চয় একজন বসবেন। যিনিই নতুন সভাপতি হোক
তার কাছে অনুরোধ থাকবে শ্রীনিবাসনের মতো নোংরা লোকদের বিতাড়িত করা। তা না হলে ভদ্রলোকের
খেলা ক্রিকেট ধসের পথে এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক পরিচালক
খন্দকার জামিল উদ্দিন বলেন, পদত্যাগ করে ঠিক কাজটাই করেছেন কামাল ভাই। এবারে
বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে ঘিরে যে নোংরামি বা ষড়যন্ত্র হয়েছে তা কোনোভাবেই মানা যায়
না। বাংলাদেশ শুধু মাথা উঁচু করতে পারে তা কামাল ভাই দেখিয়ে দিলেন পদত্যাগ করে।
জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার জাভেদ ওমর বেলিম গুল্লু বলেন, নোংরামির একটা মাত্রা
আছে। কোয়ার্টার ফাইনালে বিতর্কিত আম্পায়ারিং, তারপর আবার গঠনতন্ত্র ভঙ্গ করে কামাল
ভাইকে ফাইনালে পুরস্কার দিতে দেওয়া হয়নি। এত অন্যায় কি মানা যায়। পদত্যাগ করে
কামাল ভাই প্রমাণ দিলেন বাংলাদেশ কাউকে ভয় পায় না।
Tag :
খেলা



0 Komentar untuk "আইসিসি সভাপতির বীরোচিত পদক্ষেপ"