বাংলার মুক্তকন্ঠ; মুক্তচিন্তা হোক মঙ্গলের, সবার জন্য ন্যায়সঙ্গত।

উৎসব উত্তেজনার ভোট আজ

উৎসব উত্তেজনার ভোট আজ
গোলাম রাব্বানী, আলী রিয়াজ ও লাকমিনা জেসমিন সোমা
বাংলাদেশ প্রতিদিনে 18.04.15 তারিখে প্রকাশিত। এখানে সরাসরি পড়ুন।


ঢাকা উত্তর, দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে ভোটগ্রহণ আজ। ভোট নিয়ে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে। ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে তিন সিটিতে প্রায় ৬০ লাখের বেশি ভোটার পছন্দের জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে ভোট দেবেন। ভোটাররা এবার তিন মেয়র, ১৩৪ কাউন্সিলর এবং ৪৫ সংরক্ষিত কাউন্সিলর নির্বাচিত করবেন। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে তিন সিটিতে চলবে ভোটগ্রহণ। গতকাল তিন সিটির কেন্দ্রে কেন্দ্রে ব্যালট বাক্স, ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনী সামগ্রী পাঠিয়েছে ইসি। সকাল ১০টা থেকে বিকাল পর্যন্ত ব্যালটসহ ভোটের সরঞ্জাম কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।  তিন সিটি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, বিরোধী দল জাতীয় পার্টি, দশম সংসদ বর্জন করা বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীসহ দলীয় ও নির্দলীয় ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে এ ভোটগ্রহণ আজ। তবে ভোট নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা থাকলেও বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ও নেতা-কর্মীদের মধ্যে রয়েছে উৎকণ্ঠা। এদিকে নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়। ভোট গ্রহণের জন্য আজ তিন সিটির নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচনকে নির্বিঘ্ন করতে তিন সিটি করপোরেশন এলাকায় চার স্তরের নিরাপত্তাবলয় গড়ে তুলেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় রবিবার থেকেই স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মাঠে কাজ করছেন বিজিবি-র‌্যাব-পুলিশের সদস্যরা। অন্যদিকে নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী গত রবিবার রাত ১২টা থেকে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা বন্ধ রয়েছে। কেন্দ্রে ভোটারদের আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রেও থাকছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা। ভোটাধিকার প্রয়োগে কোনো ভোটারকে ভোটকেন্দ্রে আসা-যাওয়ার পথে কেউ বাধা দিলে বা ভয়ভীতি, অস্ত্র, শক্তি প্রদর্শন করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ইসি সূত্র জানিয়েছে, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তিন সিটির দুই হাজার ৭০১টি কেন্দ্রের মধ্যে দুই হাজার ১৮০টি কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে ইসিতে রিপোর্ট পাঠিয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে প্রয়োজনে মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহারেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মহিলা, প্রতিবন্ধী ও অক্ষম ভোটারদের নিরাপদে ভোটদানের জন্য থাকছে বিশেষ ব্যবস্থা। রবিবার মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মাঠে নেমেছে বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ, এপিবিএন, ব্যাটালিয়ন আনসার ও আনসার-ভিডিপির সদস্যরা। সব মিলিয়ে প্রায় ৮০ হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মাঠে থাকছেন। এবার মেয়র, সাধারণ কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরসহ মোট এক হাজার ১৮৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
মাঠে থাকবে ৮০ হাজার ফোর্স : তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সব মিলিয়ে ৮০ হাজার ফোর্স নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমরা মোটামুটি হিসাব করে দেখেছি আনসার, পুলিশ, র‌্যাব, কোস্টগার্ড, বিজিবি মিলে প্রায় ৮০ হাজারের মতো নিরাপত্তাকর্মী নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে। এ ছাড়া ক্যান্টনমেন্টে সেনাবাহিনী প্রস্তুত থাকবে। রিটার্নিং কর্মকর্তা যখনই মনে করবেন, তখনই সেনাবাহিনী চলে আসবে। প্রস্তুতির বিষয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য আমরা যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। আমাদের সব লজিস্টিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনী মালামাল প্রস্তুত করা হয়েছে এবং চট্টগ্রামের মালামাল শুক্রবারই পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। শনিবার ঢাকার দুই সিটির নির্বাচনী মালামাল রিটার্নিং অফিসারের কাছে দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করতে সব আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই নগরীকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে। নির্বাচনী কাজ ছাড়া সব ধরনের যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। ভোটারদের নিরাপত্তা আর ভোটদান নির্বিঘ্ন করতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ইসি কর্মকর্তারা জানান, সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ২২ জন ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ২৪ জন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন। এ বিবেচনায় দুই হাজার ৭০০ ভোটকেন্দ্রে প্রায় ৬২ হাজার নিরাপত্তা রক্ষী নিয়োজিত থাকবেন। তিন সিটির প্রতি সাধারণ ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডে পুলিশ, আনসার ও ব্যাটালিয়ন আনসারের সমন্বয়ে একটি করে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স থাকবে। এ ছাড়া তিন সিটিতে ১০০ প্লাটুন বিজিবি, ৭ প্লাটুন কোস্টগার্ড ও র‌্যাবের ২৬৮টি টিম কাজ করছে। গতকাল থেকে মাঠে নেমেছেন তারা। ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত চার দিনের জন্য তারা দায়িত্ব পালন করবেন। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ভোটকেন্দ্রের বাইরে র‌্যাব-পুলিশের বিশেষ টিম থাকছে। এদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক পরিপত্রে বলা হয়েছে, প্রতি সিটি এলাকায় এক ব্যাটালিয়ন সেনাবাহিনীর সদস্য ভোটের আগে-পরে মোট চার দিন দায়িত্ব পালন করবেন। তারা মূলত সেনানিবাসের অভ্যন্তরেই রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে অবস্থান করবেন এবং রিটার্নিং অফিসারের অনুরোধে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করবেন। এ ছাড়া মিরপুর সেনানিবাসে দুজন, পোস্তগোলা সেনানিবাসে দুজন, ঢাকা সেনানিবাসে ছয়জন, দামপাড়া সেনানিবাসে দুজন, হালিশহর সেনানিবাসে দুজন এবং চট্টগ্রাম সেনানিবাসে দুজনসহ মোট ১৬ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অবস্থান করবেন এবং সেনাসদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবেন।২১৮০টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র : ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্রের ৮০ ভাগ এবং চট্টগ্রামে ৮৩ ভাগ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকার দুই সিটির ১৯৮২টি কেন্দ্রের মধ্যে উত্তরে ৫৮৭ ও দক্ষিণে ৯৯৮ কেন্দ্র ঝুঁকিতে রয়েছে। আর চট্টগ্রামে ৭১৯টির মধ্যে ৫৯৫ কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ইসিতে পাঠানো প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা : তিন সিটিতে মোট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা ১১৮৮ জন। এর মধ্যে মেয়র ৪৮, সংরক্ষিত ২৪৯ ও কাউন্সিলর ৮৯১। এ ছাড়া উত্তরে মেয়র পদে ১৬ জন, সাধারণ কাউন্সিলর ২৮৩ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর ৯০ জন। দক্ষিণে মেয়র পদে ২০ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৯১ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৯৭ জন। একইভাবে চট্টগ্রামে মেয়র পদে লড়াইয়ে রয়েছেন ১২ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২১৭ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৬২ জন।অর্ধলক্ষ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা : ঢাকা উত্তরে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহ আলম, দক্ষিণে মিহির সারওয়ার মোর্শেদ ও চট্টগ্রামে আবদুল বাতেন। এ ছাড়া তাদের সঙ্গে উত্তরে ১২ জন, দক্ষিণে ১৯ জন ও চট্টগ্রামে ১৪ জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রয়েছেন। তাদের সবাই ইসির নিজস্ব কর্মকর্তা। তিন সিটিতে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কমিশন তিনটি পদে প্রিসাইডিং, সহকারী প্রিসাইডিং এবং পোলিং অফিসার নিয়োগ করেছেন ৪৯ হাজার ৩৩৩ জনকে। এর মধ্যে উত্তরে প্রিসাইডিং অফিসার এক হাজার ৯৩ জন, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার পাঁচ হাজার ৮৯২ জন ও পোলিং অফিসার ১১ হাজার ৭৮৪ জন। দক্ষিণে প্রিসাইডিং অফিসার ৮৮৯ জন, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার চার হাজার ৭৪৬ জন ও পোলিং অফিসার ৯ হাজার ৪৯২ জন। একইভাবে চট্টগ্রামে প্রিসাইডিং অফিসার ৭১৯ জন, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার চার হাজার ৯০৬ জন এবং পোলিং অফিসার ৯ হাজার ৮১২ জন। এ ছাড়া উত্তর সিটিতে রিটার্নিং অফিসার একজন এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসার ১২ জন, দক্ষিণে রিটার্নিং অফিসার একজন ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার ১৯ জন এবং চট্টগ্রামে রিটার্নিং অফিসার একজন ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার ১৪ জনসহ মোট ৪৮ জন।একনজরে তিন সিটি : ঢাকা দক্ষিণে ১৮ লাখ ৭০ হাজার ৭৫৩ জন, উত্তরে ২৩ লাখ ৪৫ হাজার ৩৭৪ জন এবং চট্টগ্রামে ১৮ লাখ ১৩ হাজার ৪৪৯ জন ভোটার আজ তাদের সিটি করপোরেশনের নতুন মেয়র ও কাউন্সিলর বেছে নিতে ভোট দেবেন।ভোটার : ঢাকা উত্তর : সাধারণ ওয়ার্ড ৩৬, সংরক্ষিত ওয়ার্ড ১২, ভোটকেন্দ্র এক হাজার ৯৩, ভোটকক্ষ পাঁচ হাজার ৮৯২, ভোটার ২৩ লাখ ৪৫ হাজার ৩৭৪ (পুরুষ ১২ লাখ ২৪ হাজার ৭০১, নারী ১১ লাখ ২০ হাজার ৬৭৩)। ঢাকা দক্ষিণ : সাধারণ ওয়ার্ড ৫৭, সংরক্ষিত ওয়ার্ড ১৯ ভোটকেন্দ্র ৮৮৯, ভোটকক্ষ চার হাজার ৭৪৬, ভোটার ১৮ লাখ ৭০ হাজার ৭৫৩ (পুরুষ ১০ লাখ ৯ হাজার ২৮৬, নারী আট লাখ ৬১ হাজার ৪৬৭)। চট্টগ্রাম : সাধারণ ওয়ার্ড ৪১, সংরক্ষিত ওয়ার্ড ১৪, ভোটকেন্দ্র ৭১৯, ভোটকক্ষ চার হাজার ৯০৬, ভোটার ১৮ লাখ ১৩ হাজার ৪৪৯ (পুরুষ ৯ লাখ ৩৭ হাজার ৫৩, নারী ৮ লাল ৭৬ হাজার ৩৯৬)।কেন্দ্রে কেন্দ্রে ব্যালট বক্স-ব্যালট : এবার তিন সিটির জন্য ভোটার সংখ্যার তিনগুণ ব্যালট পেপার ছাপানো হয়েছে। মেয়র, সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদের জন্য এক কোটি ৮১ লাখ ব্যালট ছাপিয়েছে ইসি। ঢাকা ও চট্টগ্রামের তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনের কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটের সরঞ্জাম পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, সকাল ১০টার পর থেকে কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের কাছে ব্যালটসহ নির্বাচনী মালামাল হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশি পাহারায় পাঠানো হয়েছে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, ব্যালট পেপার, প্যাড, সিল, অমোচনীয় কালিসহ অন্যান্য উপকরণ। ভোটের সরঞ্জামের মধ্যে সুই, সুতা, সুপার গ্লু, স্ট্যাপলার, ভোটার তালিকা, কার্বন পেপার, মোমবাতি, স্কেল, কলমসহ মোট ৬৫ ধরনের উপকরণ রয়েছে। মেয়র প্রার্থীদের জন্য সাদা, সাধারণ কাউন্সিলরদের জন্য সবুজ এবং সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীদের জন্য গোলাপী রংয়ের ব্যালট পেপার তৈরি করা হয়েছে এবার। প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা পুলিশি নিরাপত্তায় এসব সরঞ্জাম নিজ নিজ কেন্দ্রে নিয়ে গেছেন। এরপর নিরাপত্তার জন্য ৪০০ গজের বেষ্টনী নির্ধারণ করে ভোটকক্ষে ভোটারদের জন্য গোপন কক্ষ প্রস্তুত করছেন তারা। দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা রাতে যার যার কেন্দ্রে অবস্থান করবেন।বহিরাগত ও যান চলাচল বন্ধ : ইতিমধ্যে গত শনিবার রাত ১২টা থেকেই বহিরাগতদের নির্বাচনী এলাকা ছেড়ে যেতে বলা হয়েছে। তিন সিটির সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় শনিবার রাত ১২টা থেকে মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এবং ২৭ এপ্রিল রাত ১২টা থেকে ২৮ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত যানবাহন তথা ট্যাক্সি, অটোরিকশা, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক, ইজিবাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইসি। এক্ষেত্রে প্রার্থী, প্রশাসন, সংবাদকর্মী ও অনুমোদিত ব্যক্তি এবং জাতীয় মহাসড়কে চলাচলের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। উল্লেখ্য, চট্টগ্রামে সর্বশেষ ভোট হয় ২০১০ সালের ১৭ জুন। এর আগে অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন হয় ২০০২ সালের ২৫ এপ্রিল।  বহিরাগতদের পেলেই গ্রেফতার : রবিবার থেকে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বসানো হয়েছে নিরাপত্তা চৌকি। এ ছাড়া নির্বাচনী কাজে ছাড়া সব ধরনের যানবাহন চলাচলের ওপর দেওয়া হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। ভোটার এলাকার বাসিন্দা ছাড়া রবিবার থেকে বহিরাগত ব্যক্তির অবস্থান নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
- See more at:

http://www.bd-pratidin.com/lead-news/2015/04/28/77768#sthash.6soUdCkc.dpuf


0 Komentar untuk "উৎসব উত্তেজনার ভোট আজ"

KANGLA ONLINE

Copy Protected by Surozeet Kumar Singha.

ONLINE RADIO 1

FM Radio of Bangladesh

RADIO 3

RADIO 4

BREAKING NEWS

Back To Top